Monday, January 2, 2012

হাদিস

হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-“মানুষ যে আগুন জ্বালায় এই আগুন (তার তাপমাত্রা) জাহান্নামের আগুনের তাপমাত্রার সত্তর ভাগের এক ভাগ”। সাহাবীগণ বললেন-“হে আল্লাহর রাসূল! এই আগুনইতো (শাস্তির জন্য) যথেষ্ঠ। তারপর আবার অনুরূপ ঊনষাটগুণ (তাপমাত্রা) বৃদ্ধি করা হয়েছে!”। (সহীহ মুসলিম শরীফ-২/৩৮১, হাদিস নং-৭৩৪৪, মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদিস নং-২০৮৯৭)
আবু সাঈদ খুদরী [রাযি] থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম বলেছেনঃ "সব চেয়ে বড় জিহাদ হল অত্যাচারী শাসকের সামনে ন্যায় কথা বলা।" (তিরমিযী-২১৭৭)
 

Sunday, January 1, 2012

He who walks towards Me, I rush towards him


[Sahih Muslim : Book 35 Kitab Al-Dhikr, Number 6499]

Abu Dharr  (Radi Allah Anhu) reported Allah's Messenger (sal-allahu-alleihi-wasallam) as saying that Allah, the Exalted and Glorious, stated:
"He who comes with goodness, there are in store for him ten like those and even more than those: 'And he who comes with vice, ' it is only for that that he is called to account. I even forgive him (as I like) and he who draws close to Me by the span of a palm I draw close to him by the cubit, and he who draws close to Me by the cubit I draw close to him by the space (covered) by two hands, and he who walks towards Me I rush towards him, and he who meets Me in the state that his sins fill the earth, but not associating anything with Me, I would meet Him with the same (vastness) of pardon (on My behalf)."

Tuesday, December 27, 2011

হাদিস

জাবির [রাযি] থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লাম বলেছেনঃ যার মাঝে এই তিনটি গুণ আছে আল্লাহ তায়া'লা তার উপর স্বীয় রহমতের বাজু প্রসারিত করবেন এবং তাকে জান্নাতে দাখেল করবেন। গুণগুলি হলঃ
  দুর্বলের সাথে নরম ব্যাবহার
 পিতা-মাতার উপর মায়া প্রদর্শন
  এবং দাসদের প্রতি সদ্ব্যবহার। তিরমিযী-২৪৯৬
 

Wednesday, December 21, 2011

হাদিস

“আবু হুরাইরা থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা) বলেছেন, ঘরে বা বাহিরে একা নামায আদায় করার থেকে পঁচিশ গুন বেশী সওয়াব পাওয়া যায় জামাতের সহিত নামায আদায় করলে। যদি কেউ সঠিক ভাবে পাক পবিত্র হয়ে দৃঢ় সংকল্পে মসজিদে নামায পড়ার উদ্দেশ্যে রওনা করে তাহলে তার প্রতি কদমে কদমে তার জন্যে সওয়াব লেখা হয় এবং গুনাহের তালিকা থেকে একটি একটি করে গুনাহ কেটে দেওয়া হয়। আর যতক্ষণ সে নামায পড়বে ততক্ষণই ফেরেশতারা আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামীনের কাছে তার ওপর রহমতের ও ক্ষমার জন্য দোয়া করে। ফেরেশতারা বলেন, ইয়া আল্লাহ্‌, আপনি তার ওপর রহমত বর্ষণ করুণ, দয়া করুণ, ক্ষমা করুণ। আর যে ব্যক্তি নামাযের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত হয়ে অপেক্ষা করে তার জন্যেও এটি প্রযোজ্য”। [বুখারী, বই-১, খন্দ-১১, হাদিস-৬২০]
 
 

Sunday, December 18, 2011

হাদিস

হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন- দুনিয়া মুমিনের জন্য জেলখানা আর কাফেরদের জন্য স্বর্গ। {মুসলিম শরীফ, হাদিস নং-৭৬০৬}
 
হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন-যখন মানুষ মারা যায় তখন তার আমল বন্ধ হয়ে যায়। তবে তিনটি আমল বন্ধ হবেনা-১. সদকায়ে জারিয়া ২. এমন ইলম যার দ্বারা উপকৃত হওয়া যায়। ৩. নেক সন্তান যে তার জন্য দুয়া করে। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং-২৮৮২, মুসলিম শরীফ, হাদিস নং-৪৩১০, মাশকিলুল আসার লিত তাহাবী, হাদিস নং-২১৩)
 
হযরত আনাস রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন-"মুমিনের জন্য আসমানে দু'টি প্রবেশ দ্বার থাকে। একটি দিয়ে তার আমল উঠে, আর একটির মাধ্যমে তার রিজিক অবতীর্ণ হয়। যখন সে মৃত্যুবরণ করে তখন উভয় প্রবেশদ্বার তার জন্য ক্রন্দন করে। আল্লাহ পাক কুরআন শরীফে এটাই বলেছেন যে, -"কাফেরদের জন্য আসমান জমিন ক্রন্দন করেনা এবং তারা সময়ের সুযোগপ্রাপ্তও হবেনা"। (তিরমিযী শরীফ, হাদিস নং-৩২৫৫)
 
 
 
 

Wednesday, December 14, 2011

হাদিস

হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন-"মুনাফিকের জন্য অন্যান্য নামাযের তুলনায় ফজর ও ইশার নামায সর্বাধিক কঠিন। অথচ এই দুই নামাযের সওয়াব সম্পর্কে তারা যদি জানত তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাতে উপস্থিত হত। (তাহাবী শরীফ, হাদিস নং-৯১৫, বুখারী শরীফ, হাদিস নং-৫৯০, মুসলিম শরীফ, হাদিস নং-১০০৯)
 
 

Monday, December 12, 2011

সালাত

০১)সহাল বিন সা’দ রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকদেরকে নির্দেশ দেওয়া হ’ত যেন তারা সালাতের সময় ডান হাত বাম হাতের বাহুর উপর স্থাপন করে রাখে। আবু হাযেম বলেন যে, সাহাবী সাহল বিন সা’দ এই আদেশটিকে রাসুল (ছাঃ)-এর দিকে সম্পর্কিত বলেই জানি। [বুখারী নং-৭০৪ ই.ফা]
...
০২) আবু তাওবা…তাউস (রহ) থেকে বণিত । তিনি বলেন, রাসুল (সঃ) নামাজরত অবস্থায় ডান হাত বাম হাতের উপর রেখে তা নিজের বুকের উপর বেঁধে রাখতেন । [হাদিসটি সহীহ। আবু দাউদ ১ম খন্ড হা/৭৫৯ ই.ফা.বা.প্রকাশ]

০৩) সাহবী হুলব আত-ত্বাঈ (রাঃ) বলেন, আমি রাসুল (ছাঃ)-কে বাম হাতের জোড়ের (কব্জির) উপরে ডান হাতের জোড় বুকের উপরে রাখতে দেখেছি। [আহমদ হা/২২৬১০, সনদ হাসান]

০৪)ওয়ায়েল ইবনে হুজর (রাঃ) বলেন, আমি রাসুল সঃ এর সাথে ছালাত আদায় করলাম। এমতাবস্থায় দেখলাম যে, তিনি বাম হাতের উপরে ডান হাত স্বীয় বুকের উপর রাখলেন।
[সহীহ ইবনে খুজায়মা হা/৪৭৯,;আবু দাউদ হা/৭৫৫, ইবনু মাস’উদ হ’তে হা/৭৫৯, ত্বাউস বিন কায়সান হ’তে; ‘সালাত’ অধ্যায়, ‘সালাতে বাম হাতের উপর ডান হাত রাখা’অনুচ্ছেদ-১২১]
 
 ০৫) রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাতে আসমানের দিকে তাকাতে কঠোরভাবে নিষেদ করেন, এবং বলেন তারা যেন এ থেকে বিরত থাকে অন্যথায় তাদের দৃষ্টিশক্তি কেঁড়ে নেয়া হবে।
[বূখারী, ৭১৪ ইঃফাঃ]

০৬) রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে সালাতে এদিক ওদিক তাকানো সম্মন্ধে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, এটা এক ধরণের ছিনতাই যার দ্বারা শয়তান বান্দার সালাতের অংশবিশেষ কেঁড়ে নেয়।
[বুখারী, ৭১৫ ইঃফাঃ]

০৭) রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তোমরা যখন সালাত আদায় করবে তখন এদিক ওদিক তাকাবে না কেননা বান্দা যতক্ষন এদিক ওদিক না তাকায় ততক্ষন পর্যন্ত আল্লাহ্‌ তাঁর চেহারাকে বান্দার চেহারার প্রতি নিবন্ধ রাখেন।
[তিরমিযী]